Tuesday, June 9, 2015

ভাইরাসেও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে!

কিছু সাধারণ ভাইরাস যেগুলো মাথা, কণ্ঠ, এমনকি গর্ভাশয়ে ক্যান্সারের জন্য দায়ী, সে ভাইরাসগুলোই আবার কিছু ক্ষেত্রে ফুসফুসে ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন বিজ্ঞানী নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। খবর জিনিউজ ও দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

যুক্তরাষ্ট্রের ফক্স চেস ক্যান্সার সেন্টারের ওই গবেষণায় ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুস থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, প্রায় ৬ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ক্যান্সারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা (এইচপিভি) নামে এক ধরনের ভাইরাস।
যদি কিছু রোগীর ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য এইচপিভি বাস্তবিকই দায়ী হয়, তবে পরবর্তী ধাপ হবে সেসব টিউমার ভালোভাবে শনাক্ত করা, যাতে কার্যকরভাবে ওই ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।
গবেষণা নিবন্ধের লেখক ফক্স চেস ক্যান্সার সেন্টারের ফিজিশিয়ান রানী মেহরা বলেন, ‘এ গবেষণায় সর্বোপরি সফলতা হচ্ছে, আমরা নিশ্চিতভাবেই ওই টিউমারের বৈশিষ্ট্য ধরে ক্যান্সার চিকিৎসায় থেরাপি দিতে পারব।’
মেহরা বলেন, এশিয়ার দেশগুলোর রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তাদের ফুসফুসে এইচভিপি আক্রান্ত। মাথা ও গলার কাছাকাছি ফুসফুসের অবস্থান হওয়ায় মাথা ও গলায় ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ভাইরাস সহজেই ফুসফুসে হানা দিতে পারে। মূলত শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমেই ফুসফুসে এইচপিভি প্রবেশ করে। এই গবেষণায় ধূমপানকারী কারও তথ্য নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

Monday, June 1, 2015

ছোট্ট এক প্রেম কাহিনী

দুই প্রজাপতি একজন আরেকজনকে খুব ভালোবাসতো। তাদের মাঝে প্রায়ই তর্ক হতো যে কে কাকে বেশি ভালোবাসে। যাই হোক, একদিন তারা দুজনে একটা বাজি ধরল। বাজির শর্ত ছিল, তারা যেই বাগানে থাকে সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর একদম সকালে যে আগে বসতে পারবে সেই অন্যজনকে বেশি ভালোবাসে! মেয়ে প্রজাপতিটা রাতে আর ঘুমাল না। সে শুধু ভাবতে লাগলো। ঘুমিয়ে পড়লে যদি ছেলে প্রজাপতিটা আগে চলে যায়!
খুব সকালে মেয়ে প্রজাপতিটা তাড়াতাড়ি বাসা থেকে বের হয়ে উড়তে উড়তে সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার কাছে গেল। তখন ছিল একদম ভোরবেলা। চারিপাশে আলোও ফুটেনি। সে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো কখন সকাল হবে আর ফুলটা ফুটবে! এরপর সকাল হলো। সূর্যের প্রথম কিরণ সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর পড়লো। আর মেয়ে প্রজাপতিটা গভীর বিস্ময়ে দেখলঃ
ছেলে প্রজাপতিটা সেই ফুলের মধ্যে বসে আছে। তার দেহে প্রান নেই। আসলে, মেয়েটাকে সকাল বেলা চমকে দেয়ার জন্য সে গত রাত থেকেই ফুলটার মধ্যে ঢুকে ছিল। রাতে যখন ঠাণ্ডা খুব বেড়ে যায় তখন সে ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে মারা যায়। আর এজন্য সে মরে ফুলের মধ্যেই পরে থাকে। সে চেয়েছিল নিজের প্রিয়তমাকে চমকে দিতে! কিন্তু পারেনি।
অন্যদিকে মেয়ে প্রজাপতিটি এই দৃশ্য সহ্য করতে পারলো না। সে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।

** মূলকথা : ভালোবাসা আসলে এমনই হয়। এটি যেমন আমাদের বাঁচতে শেখায়, ঠিক তেমনি আবার মাঝে মাঝে অনেক বেশি দুর্বল করে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।।


গল্পটি আপনাদের কাছে কেমন লাগবে জানি না। আমার কাছে ভালো লাগলো তাই শেয়ার করলাম। ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।