Monday, April 27, 2015

আভাময় জীবন- avamoy jibon

Saturday, April 25, 2015

আজ হোক কাল হোক ভালো আমাকে বাসতেই হবে

মহুয়া গল্প লিখতে ভালবাসে। আগে গল্পের নায়কগুলোকে তৈরি করতে অনেক ভাবতে হত, এখন আর হয় না। মহুয়ার সব গল্পের নায়িকা সে নিজে, আগেও ছিল। কিন্তু নায়করা এখন আর টম ক্রুজ, লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, হিউ জ্যাকম্যানের কোন চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না। সব বদলে গেছে, বদলে গেছে মহুয়া, মহুয়ার গল্প ও মহুয়ার মন।

দিনটি ছিল ভর্তির দিন। ঐ দিনই মহুয়া দেখেছিল অন্যরকম একজন লোককে। লম্বা, রুগ্ন-শুকনো গড়ন, বিষণ্ণ চেহারা, চোখে মোটা কালোফ্রেমের চশমা, উদ্ভ্রান্তের মত ঘুরছিলেন। লোকটিকে দেখেই রবিঠাকুরের “গল্পগুচ্ছ” বইয়ের “অতিথি” গল্পের তারাপদকে মনে পড়েছিল মহুয়ার। আবার মনে হচ্ছিল,ভীষণ বিষণ্ণ একজন মানুষ লোকটা।
মহুয়া কখনো প্রেম করে নি। প্রেম-ভালবাসা নিয়ে তাই অনেক জল্পনা-কল্পনা রয়েই গেছে। বাংলা সিনেমার মত ‘ভালবাসা পবিত্র, ভালবাসা স্বর্গ থেকে আসে’ টাইপ রিকশাওয়ালা ও চৌধুরীসাহেবের মেয়ের প্রেমের মত কল্পনা হয়ত নেই। কিন্তু গল্প-উপন্যাসের মত ‘হয়ত কিছু একটা হবে’-এটাই মহুয়ার প্রত্যাশা। তাই হয়ত অদ্ভুত ভবঘুরে স্বভাবের লোকটাকে ভালো লেগেছে। দু’বছরের বড় সেই সিনিওরকে শুধু দূর থেকেই দেখে যায় মহুয়া। লোকটা গম্ভীর ও ঠান্ডা স্বভাবের, পুরোই মহুয়ার বিপরীত। কখনো কখনো ক্যাম্পাস থেকে পুরোপুরি হাওয়া হয়ে যান। তখন মহুয়ার মন কেমন কেমন যেন করে। মহুয়া বোঝে না কেন লোকটাকে ভালো লাগে। এমন নয় যে লোকটা দেখতে হ্যান্ডসাম। দেখতে বরং গাঁজাখোরদের মত। তাও ভালো লাগে। মানবমন বোধহয় এজন্যই বিচিত্র। মহুয়ার বন্ধু আবীর প্রায়ই বলে, “মেয়েরা নাকি ভালো নরমাল ছেলেদের প্রেমে পড়ে না। জত্তসব অ্যাবনরমাল ছেলেদের প্রেমে পড়ে।” মহুয়া ভাবে, লোকটা মোটেও অ্যাবনরমাল না, বরং চূড়ান্ত পর্যায়ের intellectual। মহুয়া তাই আবীরকে বলে, “মেয়েরা বলদ পোলাদের প্রেমে পড়ে না, বলদ।”
“কিন্তু বলদদেরই বিয়ে করে”
“সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?” বলে ভেঙচি কাটে মহুয়া।
মহুয়া সবসময়ই লোকটাকে খেয়াল করে আড়চোখে। কিন্তু লোকটা একটা বারের জন্যও মহুয়ার দিকে কখনো তাকায়নি। মহুয়ার মনের কথা মনেই রয়ে যায়। মহুয়া নজর কাড়ার মত কেউ নয়। কিন্তু তাই বলে লোকটার চোখে না পড়ার কথা নয়। মহুয়া নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করে যা চোখে পড়ার মত। মহুয়ার লেখা গল্পের উপর নাটক হয় , সেসব নাটকে অভিনয় করার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ক্যাম্পাসে।

মনের মানুষকে ভালোবাসার কথা জানানোর কিছু উপায়-valobasar kotha

ভালোবাসার মাঝে যে আনন্দ, অনুভূতি আছে তা পৃথিবীর অন্য কিছুতে নেই। নিশ্চয়ই আপনার পছন্দের মানুষটিকে খুব ভাল ভালোবাসেন? কিন্তু তাকে ভালোবাসি কথাটি জানাতে মাঝে মাঝে খুব কষ্টকর হয়ে যায়। কীভাবে তাকে সুন্দর ভাবে ভলোবাসি কথাটি বলা যায়? কেমন করে বললে মানুষটি খুশি হবে? তাই চলুন আজ জেনে নিই কিছু মিষ্টি উপায় যার মাধ্যমে আপনার প্রিয় মানুষটিকে ‘ভালোবাসি’ কথাটি বলতে পারবেন খুব সহজেই কিন্তু রোমান্টিক ভাবে।

ক্যাসেটে ভালোবাসার কথা
ক্যাসেট প্লেয়ার ও ক্যাসেট নিশ্চয়ই আপনার বাসায় আছে। যদিও আজকাল খুব কম মানুষের বাড়িতে এগুলো থাকে। কারণ যুগ পাল্টেছে। কিন্তু যদি থাকে একটি ক্যাসেট নিয়ে তাতে প্রিয় মানুষটির জন্য কিছু কথা রেকর্ড করুন ও তাকে শুনতে বলুন। বা মোবাইলেও ভয়েস রেকর্ড করে দিতে পারেন।

একটু অন্যরকম রোমান্টিক কবিতা
আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে আপনি ভালোবাসেন এই কথাটি জানাতে যে তাকে ‘ আমি তোমাকে 

ভালোবাসি বা I LOVE YOU’ কথাটিই যে বলতে হবে এমন কোন কথা নেই। একটু ভিন্ন ভাবে সঙ্গীকে ভালোবাসি কথাটি বললে সেও খুশী হবে। তাই খুব সুন্দর একটি কবিতা জাতে ভালোবাসি কথাটির সমস্ত ভাষা বলে দেয়া আছে আর খুব রোমান্টিক তেমন একটি প্রিয় মানুষটিকে পড়ে শোনান।

চিরকুটে লিখে দিন কিছু কথা
চিরকুট ব্যাপারটি কিন্তু খুব অসাধারণ। ভালোবাসি কথাটি খুব সুন্দর ভাবে জানানোর জন্য এর থেকে দারুণ উপায় আর হয়না। যেমন বিছানার পাশে কিংবা এমন কোন জায়গায় যেখানে আপনার সঙ্গী খুব সহজেই হাত বাড়ালে পেয়ে যাবে চিরকুটটি।

একটু অন্য ভাষায় ভালোবাসি বলুন
আমরা সাধারণত বাংলায় ও ইংলিশে ভালোবাসি কথাটি বেশি বলে থাকি। কিন্তু আপনি অন্য কোন ভাষায় আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসি কথাটি বলতে পারেন। হয়তো সে বুঝবেনা কিন্তু আজকাল তো ইন্টারনেটে সবকিছুই পাওয়া একটু কষ্ট করলে সঙ্গী বুঝে নিতে পারবে আপনার অন্যরকম এই ভাষার মানেটি।

মনের কথাগুলো বলে ফেলুন চিঠিতে
অনেক আগে যখন প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হতো নারী পুরুষের মধ্যে তখন একে অপরকে চিঠিতেই ভালোবাসি কথাটি বলে থাকতেন। কারণ তখন ছিল না মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট। কিন্তু আজকাল খুব মানুষই চিঠি লিখে থাকেন। তাই আপনি আপনার প্রিয় মানুষটিকে একটি ভালোবাসায় ভরপুর চিঠি দিতে পারেন।

তার পছন্দের কোন উপহার দিন
প্রিয় মানুষটি খুশি থাকুক তা কে না চায়। সঙ্গীকে খুশী রাখতে দিতে পারেন তার খুব পছন্দের কোন উপহার এবং তার মাঝে দিয়ে দিন পছন্দের কোন চকলেট। ছোট্ট একটি কার্ডে লিখে দিতে পারেন ভালোবাসি কথাটি।


রোমান্টিক কোন গান
এমন কোন একটি গান যা প্রিয় মানুষটি শুনলেই বুঝতে পারেবন যে আপনই তাকে কতটা ভালোবাসেন। তাই এমন কিছু গান বেছে নিন। আর তা সঙ্গীকে শুনতে বলুন।

রোম্যান্টিক ডিনার
কোন একটি ছুটির দিনে সঙ্গীকে নিয়ে খুব সুন্দর একটি রেস্তোরাঁয় যেতে পারেন। সেখানে তাকে চমকে দেয়ার জন্য আয়োজন করতে পারেন একটু অন্যভাবে। তার পছন্দের খাবার অর্ডার দিন। চাইলে সঙ্গী যেন চমকে যায় এমন কোন উপহারও দিতে পারেন।

Thursday, April 23, 2015

ভালবাসা জেগে রয়-valobasa rat jege roy.

জানালাটা খুলে দিয়ে বাইরে চোখ রাখলাম।অন্ধকার এখনো কাটেনি ।শহরটা এখনো ঘুমিয়ে । সূর্য সবে আড়মোড়া ভাঙছে । হু হু করে একদমক ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে গেলো । গায়ের শালটাকে আর একটু জড়িয়ে নিলাম ভালো করে ।মনে পরে গেল,সেদিনটাও এমন ছিল।আমার সামনে থেকে আস্তে আস্তে মুছে গেলো ওপারের রাস্তাটা,আশেপাশের শহুরে বাড়িগুলো,এমনকি জানালার পাশের আম গাছটাও ।

তার জায়গা দখল করে  নিল ,কুয়াশা ভেজা একটা মেঠো পথ।দুপাশে ঘন হলুদ ফুল বুকে নিয়ে মাঠের পর মাঠ সরিষা ক্ষেত।একহাতে লাল শাড়ির আঁচল সামলিয়ে আর অন্য হাতে আনমনে ফুলগুলোকে ছুঁয়ে ছূঁয়ে সেই মেঠো পথ ধরে হনহন করে হাঁটছি ।ভীষণ রাগ হয়েছে আমার।তোমার কাছে আর ফিরে যাবনা ।চলে যাবো ,যেদিকে দুচোখ যায়।উফফ...ঢাকা আর  কতদূর !

একটু একটু ভাল লাগা... তারপর শুধুই ভালবাসা-valobasa

কলেজের প্রথম বছর ছিল… পরিচয় হল… বন্ধুত্ব হলো… ভাল লাগলো… তারপর প্রেম নিবেদন…
তারপর শুধুই ভালবাসা| নাহ্! এত নিরামিষ ছিল না আমাদের গল্প| এত নিরামিষ হলে
হয়তো এভাবে সাতটা বছর পার করে দিতে পারতাম না দুজনে|


সেই সাত বছর আগের কথা… কিছুদিন হলো কলেজে ভর্তি হয়েছি| হঠাৎ অপরিচিত কারো একটা
ই-মেইল নজরে পরলো| খুব সহজ একটা ধাঁধা লেখা ছিল ই-মেইলে| সাথে একটা মোবাইল
নাম্বারো ছিল, আর লেখা ছিল যদি ধাঁধার উত্তর জানা থাকে তাহলে যেন সেই নাম্বারে
পাঠিয়ে দিই| ধাঁধার উত্তর লিখে পাঠিয়ে দিলাম আর জানতে চাইলাম তার পরিচয়, তবে ই-
মেইলের উত্তর ই-মেইলেই… মোবাইলে দিয়ে নিজের মোবাইল নাম্বারটা একটা অপরিচিত
মানুষকে দিয়ে বিপদে পরবো নাকি!!?? কিছুদিন পর আবিষ্কার করলাম ছেলেটা আমার
সেকশনেরই! কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না কে সেই শাখামৃগ যে আমাকে এত
দুশ্চিন্তায় ফেলে দূরে বসে মজা নিচ্ছে!!?? পরে জানতে পারলাম যার দিকে কখোনো
চোখই পরেনি, যার নামটাও কখোনো জানা হয়ে ওঠেনি ছেলেটা সেই… সানিয়াত… সানিয়াত
মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন|