Sunday, April 13, 2014

স্কুল-কলেজের মেয়েদের প্রতি কিছু তেতো কথা ।

( এই পোষ্টের বিষয়বস্তুতে তথাকথিত শিক্ষকনামধারী লম্পট জানোয়াররুপী কিছু মানুষ , এদের দ্বারা বিশেষকরে স্কুল কলেজের ছাত্রীদের যৌন হয়রানী / নির্যাতন , এই বিষয়ে সেইসব ছাত্রীদের অনিশ্চিত – অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত ও সেসব ইস্যুর প্রতিকার এবং প্রতিরোধে তাদের সত্যিকার প্রতিক্রিয়া কি হওয়া উচিৎ তার উপরে আলোকপাত করার চেষ্টা করেছি । শ্রদ্ধেয় সকল মহামতি শিক্ষকদের প্রতি নো অফেন্স প্লীজ । অন্যান্য সকল প্রকার রেইপ কেস / রেপিস্ট / শাস্তি / কারণ / প্রতিকার কিংবা প্রতিরোধ এই পোষ্টের আলোচ্য বিষয় নয় । সেসব বিষয়ে আমার রেইপ বিরোধী অন্যান্য পোষ্টে আরও আলোচনা করেছি । )

পরিমলের মত তথাকথিত শিক্ষক নামধারী লম্পট পাভার্ট প্রতিটি স্কুল কলেজেই দুই একটা করে আছে । মাগো বলে মেয়েদের পিঠে হাত বুলানো , নাম দেখার নাম করে নেইম প্লেট ধরে টান দেওয়া , বেঞ্চের কোনায় বসে পড়া ধরতে গিয়ে গায়ে গা ঘষা লাগানো এই ধরনের অতি সাধারণ (!) বিষয়গুলো হোক ছেলে কিংবা মেয়ে , নিজেদের ক্লাসে যারা দেখেন নি / শুনেন নি তারা অসম্ভব ভাগ্যবান ( যদিও ব্যাপারটা আমার কাছে অসম্ভব বলেই মনে হয় এবং ব্যাপারটি হবে নিজেদের স্কুল – কলেজের নাম বাঁচানোর নামে বিষয়টি চেপে যাওয়া বৈ আর কিছু নয় ) এবং তারা কোন স্কুল কলেজে পড়েছেন তার নাম জানতে খুব ইচ্ছা করে ।
যাই হোক , ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি এই ধরনের ছাত্রী যৌন নিপীড়নের ঘটনাগুলি স্কুল পর্যায়েই বেশি হয়ে থাকে । এরকম হাজার হাজার ঘটনার মধ্যে যখন চরম নির্যাতনমূলক কোন ঘটনা নিউজে আসে , আমরা তখন মানববন্ধন করি , প্রতিবাদী হই । সমাজের বিত্তশালী আর শক্তিশালী নরপশু পালনকারী বিভিন্ন মহলের চাপে সব স্তিমিত হয়ে যায় । আমরা ভুলে যাই ।
তবে এই ধরনের ঘটনাগুলি সংগঠিত হওয়ার পিছনে যে শুধুমাত্র এই ঘৃণ্য নরপশুগুলোরই একমাত্র ভূমিকা আছে তা নয় । কিছুটা প্রচ্ছন্ন ভূমিকা কিন্তু ভিক্টিমেরও আছে । আসলে এটাকে তাদের ঠিক দোষ / ভূমিকা বলব না । এটা তাদের ঐ সময়গুলোতে কি করা উচিৎ আর কি না করা উচিৎ সে সম্পর্কে অজ্ঞতাই বলব । আর সে বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদেরকে ধারনা না দেওয়ার ক্ষেত্রে দোষগুলো আমাদের উপরও বর্তায় । বাকিটা না পড়ে আমাকে ভুল বুঝবেন না । প্রয়োজনে আমার ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হন বিভাগ থেকে আমার সম্পর্কে এই বিষয়ে আমার অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা ধারনা নিয়ে আসলে খুশি হব ।
১)
এখন , শুরুতেই বলেছিলাম ‘’ মাগো বলে মেয়েদের পিঠে হাত বুলানো , নাম দেখার নাম করে নেইম প্লেট ধরে টান দেওয়া , বেঞ্চের কোনায় বসে পড়া ধরতে গিয়ে গায়ে গা ঘষা লাগানো এই ধরনের অতি সাধারণ (!) বিষয়গুলো ……… ‘’ বিষয়গুলো কি আসলেই সাধারণ ? এই আপাতদৃষ্টিতে অতি সাধারণ ছোট ছোট বিষয়গুলোর ক্রমাগত সাফল্যই কিন্তু ওইসব শিক্ষকনামধারী জানোয়ারগুলোর মনে সাহস যোগায় রেইপের মত বড় ধরনের ক্রাইম করার ব্যাপারে । প্রধানত দুই ধরনের মেয়েরা এই ঘটনাগুলির ভিক্টিম হয় ক) ভোলাভালা অতি সাধারণ এবং খ ) যারা নিজেদের ওভারস্মার্ট মনে করে ( যদিও তারা তা নয় )
এখন এদের মধ্যে যারা আবার আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা বেশি সুন্দরী তারাই মূলত বেশী এই ধরনের বিষয়গুলির ভিক্টিম হয় । দুর্ভাগ্যজনকভাবে মেয়েদের মধ্যে এই দুইটা ধরনই থাকে । কিন্তু আরও দুর্ভাগ্যের ব্যাপার যে তারা সবাই এই বিষয়গুলোতে তাদের অপরিণামদর্শী চিন্তা ভাবনা ও কি করা উচিৎ না বুঝে ওঠার ফলে দিনের পর দিন ক্রমাগত নির্যাতিত হতে থাকে । আর তাদের মধ্যে যাদের কপাল খারাপ তারা এক পর্যায়ে রেইপের শিকার হয় ।
স্কুল কলেজের মেয়েদেরকে বলিঃ
এই ধরনের বিষয়গুলো শুরুতেই প্রতিবাদ করো , শক্ত গলায় । যে এরকম করছে সেই শিক্ষককে সরাসরি বলো যেন দ্বিতীয়বার তোমার সাথে আর এমন না করে , এগুলো তোমার পছন্দ না । ক্লাসে সবার সামনে বলো । উঁচু স্বরে । যেন সবাই শুনতে পায় । ভয় পেয়ো না । তুমি যদি ভালো লেখো তোমার নাম্বার কেটে নেওয়া কিংবা কম নাম্বার দেওয়া , ফেইল করানোর ক্ষমতা তার বাপ দাদারও নেই । প্রয়োজনে পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জ করে দেখবা । যদি তাতেও কাজ না হয় , কয়েকজন মিলে প্রতিবাদ করো । অভিভাবককে জানাও এবং প্রধান শিক্ষককে জানাও । লজ্জা পেও না । লজ্জাবতী হয়ে নির্যাতিত হওয়ার কোন মানেই হয় না । সেই সত্যযুগও এখন নাই , সত্য মানুষও নাই আর এমন লজ্জাবতী হওয়ারও কোন অর্থ হয় না । আর যদি দেখো তাতেও কোন সমাধান হচ্ছে না , প্রয়োজনে স্কুল পরিবর্তন করে ফেলো । আর স্কুল কলেজে কিভাবে কিভাবে অভিযোগপত্র লিখতে হয় তা নিশ্চয়ই শিখায় । বন্ধু-বান্ধবদের স্বাক্ষর সহ সরাসরি চিঠি / মেইল করো ঊর্ধ্বতন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে । একটু খুঁজলেই তাদের ঠিকানা পাওয়া কোন ব্যাপার না । ফেসবুক / ব্লগ ব্যাবহার করো ? ঐ স্কুল / কলেজের নাম , শিক্ষকের নামসহ বিষয়গুলি লেখো । মানুষকে জানাও ।
২) আর স্কুল কলেজের মেয়েরা তোমরা যারা নিজেদের ওভারস্মার্ট মনে করো তাদের বলিঃ
তুমি যদি ক্লাস নাইনে পড়ো , ইন্টারে পড়া একটা মেয়ে / ছেলে নিশ্চয়ই তোমার চেয়ে দ্বিগুণ চালাক / স্মার্ট ! একই কথা কলেজের মেয়েদের জন্যও । সেখানে স্কুলের টিচার হিসেবে যে / যারা আসে তারা নিশ্চয়ই তোমাদের চেয়ে অনেক অনেকগুণ স্মার্ট আর চালাক ! আর সে যদি লম্পট হয় তাহলে সে তোমার চেয়ে কতগুণ বেশী চালাক তা তুমি কল্পনাও করতে পারবা না । সেখানে নিজেকে ওভারস্মার্ট ভাবা একধরনের চরম বোকামি ।
সুতরাং , ওভারস্মার্টনেস দেখাতে গিয়ে স্কুল /কলেজ শেষে একা স্কুলের কোথাও কোন টিচারের সাথে দেখা না করাই ভালো । যে কোন প্রয়োজনেই হোক না কেন গার্জিয়ান ব্যাতিত কোন টিচারের বাসায় যেও না । স্কুল চলাকালীন সময়েও কিংবা স্কুল শেষে কখনোই কোন ল্যাব / শ্রেণীকক্ষে একা টিচারের সাথে স্পেশাল ক্লাস , কোচিং কিংবা বাড়তি পড়ালেখার অজুহাতে থেকে যেও না ।
৩) যারা টিচারদের বাসায় প্রাইভেট পড়তে যাও তাদের বলিঃ
প্রাইভেট শুরু হওয়ার ঘণ্টা খানেক আগে গিয়ে বসে থেকো না । আর শেষ হবার পরও থেকে যেও না । সবচে’ বড় কথা একা থেকো না । আর যখন যেই টিউটরের বাসায় যাচ্ছ তা যেন অবশ্যই অবশ্যই বাসায় জানিয়ে যেও । এখানেও স্পেশাল টিউশনের নামে থেকে যেও না । মনে রেখো , মাগনা টিচাররা বেশী পড়ায় না , আর যারা পড়ায় তারা সবাইকেই পড়ায় । তোমাকে একা যে পড়াতে চায় , তার উদ্দেশ্য ভিন্ন কিছু । আর সেটা কখনোই ভালো কিছু নয় ।
৪) আজকালকার ছেলেপেলের ভিতরে একটা ট্রেন্ডজ মহামারীর মত ছড়িয়ে পড়েছে । যাকে তাকে ফ্রেন্ড বানিয়ে নিজেদের স্মার্ট হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যাস্ত থাকে । হোক সে তার ১০ বছরের জুনিয়র কিংবা ৩০ বছরের সিনিয়র ! সবকিছুরই একটা মাত্রা আছে , সীমানা আছে । তোমার সমবয়সী বন্ধু আর তোমার চেয়ে ৩০ বছরের বড় বন্ধু এক বিষয় নয় । বন্ধু মানেই ঢলাঢলি নয় , চিপা চাপায় নির্জন বাসায় একা দেখা করা / সময় কাটানো নয় । তোমার শিক্ষকের শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে তার শিক্ষা দানের দক্ষতার প্রতি নজর দেওয়া তোমার জন্য বেশী প্রয়োজনীয় এবং মঙ্গলকর ।
স্কুল কলেজের মেয়েরা , তোমার চেয়ে বয়সে বড় কাউকে বন্ধু বানানোর আগে ভালো করে ভাবো । কিছু কিছু সম্পর্কের সীমানা থাকা ভালো । তোমাদের কি এতই বন্ধুর অভাব যে শিক্ষককে বন্ধু বানাতে হয় !!! আমি বুঝিনা ! অনেকে ভালো রেজাল্ট হবে , পড়ালেখা ভালো হবে এইসব বলে এই মতের পক্ষে যুক্তি দেখায় । আমি বলি , কচু ! আমরা কি পড়ালেখা করি নি ? ভালো রেজাল্ট করি নি ! ভালো রেজাল্ট করতে হলে শিক্ষকের সাথে বন্ধুত্ব করতে হয় না । শিক্ষক আর ছাত্র – ছাত্রীদের সম্পর্ক গুরু-শিষ্যের একটি মধুর সম্পর্ক , যেখানে থাকে সম্মান ও স্নেহ । তথাকথিত বন্ধু নামে খাচ্রামি নয় ।
৫) যেসব মেয়েদের বাসায় টিউটর এসে পড়ায় , তাদের বলিঃ
টিচার এলে দরজা ভিড়িয়ে পড়তে হবে , এতে কনসেন্ট্রেশন হবে , এসব অর্থহীন ও হাস্যকর যুক্তি ঝেড়ে ফেলো । এতে সেই টিচারের মনে যদি কু-মতলব থাকে তা আরও আস্কারা পায় । আমার জানা মতে এই ধরনের শিক্ষক নামধারী লম্পটরা ভালো পড়ালেখা করতে হলে কমিউনিকেশন ভালো থাকতে হবে , বন্ধু হতে হবে ……… ব্লা ব্লা ব্লা এইসব বলে প্রথমে ছাত্রীদের সাথে ফ্রি হওয়ার চেষ্টা করে ।
সুতরাং , দরজা লাগিয়ে পড়ার টেন্ডেন্সি বাদ দেও । গার্জিয়ান বাসায় না থাকলে টিচার আল্যাও করো না । অন্যদিন আসতে বলো । টিউটরদের সাথে অযথা ও অপ্রয়োজনীয় ফালতু ঘনঘন টেক্সটিং , ফেসবুকিং নামের আহ্লাদী বর্জন করাই ভালো । আর যদি দেখো টিচার পড়াশুনা ব্যাতিত অন্য কোন বিষয়ে বেশী আগ্রহী , সেই টিচারকে প্রথমে সেসব বিষয়ে সতর্ক করো । ফলাফল না পেলে তোমার গার্জিয়ানকে জানাও ।
৬) অনেক সময় দেখা যায় যে কোন তথাকথিত শিক্ষকনামধারী লম্পট টিচার / লম্পট হুজুর স্যার সম্পর্কে বাবা – মায়ের কাছে ‘’ ঐ টিচার / হুজুর ভালো না ‘’ এই ধরনের অভিযোগ করলে , আমাদের অতি শুভাকাঙ্ক্ষী বাবা – মা যারা আমদের পড়ালেখার ভূতভবিষ্যৎ নিয়ে অতিশয় সিরিয়াস , তারা প্রথমে অবিশ্বাস করেন । কেননা বাবা – মা প্রথমেই জিজ্ঞেস করবেন ‘’ কেন ভালো না ?’’ সেক্ষেত্রে হোক ভয় কিংবা লজ্জা , তোমরা বলতে পারো না যে ঐ শিক্ষক নামধারী লোকটা আসলে একটা লম্পট ! পরবর্তীতে বাবা -মা’রা ধরেই নেন যে হয়তো তোমরা পড়ালেখা ফাঁকি দেবার জন্য এমনটা বলছ । আর এই সুযোগে অবস্থা বুঝে ফেলে সে লম্পটরা তোমার বাবা –মায়ের সামনে নিজেকে একজন সুকঠিন ও জাঁদরেল শিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার হেতুতে তোমার বাবা – মাকে ভূগোল বুঝিয়ে থাকে । দুঃখজনক হলেও সত্য যে বেশিরভাগ বাবা – মা’ই ঐ লম্পটদের এই ফাঁদে পা দেন । এক্ষেত্রে ওইসব লম্পটরা তাদের ক্ষোভের প্রেক্ষিতে পড়ালেখা না করার অজুহাতে সেই ছাত্রীর উপরে বিভিন্ন প্রকার শারীরিক নির্যাতনও চালিয়ে থাকে শাস্তির নামে । একদিকে বাবা – মাকে বুঝানোর ব্যার্থতা অন্যদিকে শারীরিক নির্যাতন এই দুইয়ের মাঝে পরে তোমরা অনেক অসহায় বোধ করো , জানি । তাহলে কি করা যায় ?
শোন মেয়েরা , প্রথমত , আগেও বলেছি এমন লজ্জাবতী কিংবা ভিতু হয়ে লাভ নেই । বাবা-মাকে শুধু বলো না অমুক শিক্ষক খারাপ ! এক্সাটলি বলো সে তোমার সাথে কি করেছে , কি বলেছে , কোন খারাপ কথাটা বলেছে , শরীরে কোথায় হাত দিয়েছে । আর তারপরও যদি দেখো তোমার বাবা – মা ঐ লম্পট শিক্ষক / হুজুরের অতিভক্ত তাহলে তোমার বড় ভাই বোন থাকলে তাদের বলো । মামা – খালা , ফুপু তাদের বলো । তোমার কয়েকজন বান্ধবীকে ম্যানেজ করে সাথে নিয়ে বললে তুমিও যেমন সাহস পাবে তেমনি বিষয়টির গুরুত্বও আরও শক্তিশালী হবে ।
৭) আর সকল ক্ষেত্রেই , হোক স্কুলে / কলেজে / বাসায় / প্রাইভেটে সম্ভব হলে প্রমাণস্বরূপ শিক্ষক/ হুজুর নামধারী লম্পটদের সাথে তোমার তখনকার কথোপকথনগুলো ফোন হাতের মাঝে অথবা ব্যাগের মাঝে লুকিয়ে রেখে রেকর্ড করে রাখো । আজকাল খুব কমদামী ফোনেও রেকর্ড করার উপায় থাকে আর কমবেশি প্রায় সব ঘরেই ফোন আছে । এরকম একটা মোক্ষম প্রমাণ তোমাকে খুব সহজেই এই সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণ দিতে পারে । আর সেই লম্পটেরও যথোপযুক্ত শাস্তির ব্যাবস্থা করতে পারে ।
এই পোস্টটি কেন এভাবে লিখলাম তার সম্পর্কে কিছুটা ধারনা হয়তো পাবেন এই লিঙ্কের নিউজটি থেকে । বিভিন্ন সময়ে এরকম আরও অনেক নিউজ দেখেছি । আরেক পরিমল হিসাবে জন্ম নিল পান্না, একাধিক ছাত্রীকে জোর করে আপত্তিকর ভিডিও , নিউজটি ভালো করে পড়ার পরে এই ক্ষেত্রের প্রাথমিক পর্যায়গুলোতে ”জোড় করে ” শব্দটি নিয়ে আমার যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে । এবং এই ধরনের অনেক বাস্তব উদাহরণ স্কুল-কলেজে পড়ার সময় দেখেছি যেখানে অনেক মেয়েরাই তাদের চেয়ে দ্বিগুণ তিনগুন বয়সী টিচারদের সাথে ( হোক সে প্রাইভেট কিংবা স্কুল-কলেজের ) বন্ধুত্ব অথবা প্রেম নামক সম্পর্কে জড়িয়ে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এই ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে । না , আমি বলব না যে এই ধরনের বয়সের বিস্তর পার্থক্যভিত্তিক প্রেমের বিপক্ষে আমি , কিন্তু এসব ক্ষেত্রে যতটুকু সাফল্য আসে তার চেয়ে ব্যার্থতা আর জটিলতাই হাজার গুণ বেশী । আর যারা তারপরেও বুঝতে পারেন নি , তাদের এইসব বিষয়ে সময় না নষ্ট করাই বোধয় শ্রেয় ।
————————————————————-
পোস্টটি অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন যদি পারেন ফেবুতে । অনেক বাচ্চা বাচ্চা মেয়েরা আজকাল ফেবু ইউজ করে । ওদের জন্য অনেক জরুরী এই বিষয়গুলো ।
আর সম্ভব হলে ডাউনলোড করে কয়েকটা ফটোকপি আপনার পরিচিত স্কুল-কলেজের মেয়েদেরকে , বিশেষকরে যে সকল মেয়ে এই পক্রিয়ায় ভিকটিম হওয়ার কাছাকাছি তাদের দিতে পারেন । হয়তো আপনার কয়েকটি শেয়ারে এবং ফটোকপির দরুন কয়েকটি অবুঝ মেয়ে দুঃসহ কিছু স্মৃতি সারাজীবন বয়ে বেড়ানো থেকে রেহাই পাবে ।

ছবিসুত্রঃ ইন্টারনেট ।

No comments:

Post a Comment