Sunday, April 13, 2014

'একটা হঠাৎ পাওয়া বিকেলবেলা''

এয়ারপোর্টের এক্সিট করিডোর থেকে বের হয়ে মনের ভেতর একটা অনুরণন অনুভব করতে পারে ফারহান। প্রায় ৬ বছর পর নিজ জন্মভুমিতে পা রেখে পরম এক আনন্দের অনুভূতি খেলে গেলো সারা শরীরে! বুক ভরে নিঃশ্বাস নিলো। জতই কালো ধোঁয়া থাক, ধুলো বালির এই শহরের যেন আলাদা মাদকতা আছে ফারহানের কাছে! নিয়নের আলো, পিচ গলা রাস্তা, সোনালি পলি পেপার আর নিখুত হাতের চিত্র দিয়ে আকা রিকশ
া, গোলাপ হাতে কিশোরীর ছুটে চলা সবই খুব ভালো লাগে। মনে পরে যায় সেই সব সৃতি , ভালো লাগা।
আড্ডা মুখোর দিন গুলো!

প্রায় ৬ বছর পর দেশে ফিরল ফারহান। বিলেতে যাওয়ার আসল কারন ছিল পড়াশোনা। দেশেই অনার্স শেষ করছিল কিন্তু ফাইনাল ইয়ারে ক্লাস শুরুর আগেই অগত্যা একটা স্কলারশিপ পেয়ে যায়। যেহেতু অনেক আগে থেকেই ইচ্ছে ছিল বাইরে পড়তে যাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল তাই আর এই সুযোগ হারাতে চায়নি। ক্রেডিট ত্রান্সফার করে পাড়ি জমায় সুদূর লন্ডনে। তবে দেশের বাইরে সেটেল হবার কোন ইচ্ছে ছিলোনা ফারহানের। যাওয়ার সময় মনে মনে ঠিক করেছিল ফিরে আসবে এই জন্মভুমির বুকে। খুব ভালোবাসত এই দেশকে।

আজ সেই দিনের কথা মনে পড়ছে ফারহানের। যেদিন চলে গিয়েছিলো সবাইকে ছেড়ে, আজ মনের ইচ্ছে পুরন হল ফারহানের। দেশের মাটিতে ফিরে এল। মনে মনে খুব তৃপ্তি পেল এই ভেবে যে সে তার কথা রেখেছে।

দেশে আসার ব্যাপার টা গোপনেই করেছে ফারহান। ওর আসল উদ্দেশ ছিল হঠাত করে ফিরে এসে রবাইকে চমকে দেয়া। দেশে আসার ব্যাপার টা কেবল একজনকেই জানিয়েছিল ফারহান, ছেলে বেলার বন্ধু আরিফ কে। এয়ারপোর্টে আরিফ কে দেখেই ‘’আরে দোস্তওওওওও বলে চিৎকার করে জড়িয়ে ধরে। তারপর কুশল বিনিময়ে করে বাসার দিকে রওনা দেয় দুজনে।

বাসায় গিয়েই সবাইকে চমকে দেয় ফারহান। ফারহান কে দেখে বাবা, মা, বোন সবার আনন্দের বাধ ভাঙ্গে। বাবা মার ভালবাসা থেকে এত দিন দূরে ছিল তাই মা কে জড়িয়ে ধরেই কেঁদে ফেলে ফারহান।
ইতোমধ্যে বন্ধুদের মাঝে খবর পৌঁছে যায় ফারহান দেশে এসেছে, পুরনো বন্ধুরা এখন সবাই নিজ নিজ জীবনে ব্যাস্ত। বন্ধুদের মধ্যে খুব পপুলার ছিল ফারহান। যে কোন আড্ডা একাই জমিয়ে রাখত তাই সবাই ভীষণ রকমের পছন্দ করতো ফারহান কে। সব ব্যাস্ততা ফেলে পুরনো বন্ধুদের কয়েকজন বিকেলে চলে আসে ফারহানের বাসায়। জমে ওঠে আবার আড্ডা। ঠিক যেন ৬ বছর আগে চলে যায় সবাই মিলে। দেশের বাইরে ৬ টা বছর খুব মিস করেছে বন্ধুদের কে। বন্ধুরাও খুব মিস করেছে ফারহান কে। ম্যারাথন আড্ডা শেষে রাতে সবাই চলে যায়। রাতে ঘুমাবার আগে ব্যালকনি তে বসে আকাশ দেখছিল ফারহান। এমন আকাশ কেবল দেশেই দেখা যায়।

আকাশে দিকে তাকিয়ে দুজন মানুষের কথা খুব করে মনে পড়ে ফারহানের।
প্রথমত মনে পড়ে মনিরের কথা, এই মনিরের কারনেই দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো ফারহানের। মনির জানতো যে ফারহানের দেশের বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা আর তাই নিজের সাথে ফারহানের জন্যও স্কলারশিপের আবেদন করেছিল মনির। মনির আজ অস্ট্রেলিয়ায়, শুনেছে অখানেই সংসার পেতে বসবাস করছে। আর আরেকজন হল অনন্যা। অনন্যার কথা ভাবতেই মনের মধ্যে ১ টা শূন্যতা অনুভব করে। বিশাল আকাশের দিকে তাকিয়ে ফারহান ভাবে সেই শূন্যতাও আকাশের বিশালতা কে হার মানায়। ভাবতে চায়না অনন্যা কে তবুও ভাবায়।

২.
সকালে ঘুম থেকে উঠে মায়ের হাতের বানানো নাস্তা খেয়ে সারা দিনের প্ল্যান ঠিক করতে থাকে। কোথায় যাবে, কি করবে। যদিও একেবারেই দেশে এসেছে এবং তেমন তাড়াহুড়ো নেই। তবুও এতদিন পর দেশে একটা উত্তেজনা কাজ করে ফারহানের মাঝে। দুপুর পর্যন্ত বেশ ঢিলেঢালা ভাবে সময় কাটায় কারন বাইরে বের হবার প্ল্যান করেছে বিকেলে। এতদিন পর দেশে এসেছে তাই বাসার সয়াইকে একটু বেসি সময় দিতে চাচ্ছে ফারহান।

বেশ চলে যাচ্ছে দিনকাল দেশের মাটিতে। পড়ালেখা শেষ করে এসেছে। যেহেতু দেশেই থাকবে তাই দেশেই চাকরি অথবা ব্যাবসার জন্য মন স্থির করে ফেলে আগে থেকেই। একদিন এসব নিয়েই একদিন বিকেলে বন্ধু ইকবালের অফিসে গিয়েছিলো। কথা বার্তা শেষ করে বাসায় ফিরছিল ফারহান। বাসা থেকে খুব বেশি দূরে নয় তাই হেটেই চলছিলো। ধানমন্ডি লেকের পাশ দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় মনে পরে যাচ্ছিল পুরনো দিন গুলোর কথা তাই একটু হেটে থেমে লেকের সাইডে কিছু সময়ের জন্য বসেছিল ফারহান। পাশ দিয়ে এক বাদাম ওয়ালা যাওয়ার সময় বাদাম খেতে ইচ্ছে করে ফারহানের তাই ১০ টাকার বাদাম কিনে বসে বসে চিবাতে থাকে আর ভাবতে থাকে ফেলে আশা দিন গুলোর কথা। বাদাম শেষ হতে হতে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতে থাকে। বাদামের প্যাকেট হাত থেকে ছুড়ে ফেলতে যাবে এমন সময় প্যাকেটের মধ্যে চোখ আটেকে যায় ফারহানের। প্যাকেটের এক কোনায় ছোট করে লেখা ‘’ইতি অনন্যা’’!

বাদামের প্যাকেট ধীরে ধীরে খুলতে থাকে ফারহান। মনের মাঝে হাজার টা প্রশ্ন ঘুরতে থাকে ফারহানের। মুহূর্তের মাঝেই সব ঝাপসা হতে থাকে। প্যাকেট খুলেই দেখতে পায় ৬ বছর আগে ১ টা চিঠি! সন্ধ্যার রাস্তায় নিয়নের আলোতে পথ চলতে চলতে সেই চিঠি পড়ে এগোতে থাকে ফারহান।

ফারহান,

তোমার চিঠি পেয়েছি। তুমি চলে যাচ্ছ শুনে আমার খুব খারাপ লাগছে, ভাবিনি হঠাত করে চলে যাবে। তুমি কথা গুলো বলতে এতো দেরি করে ফেললে, আমি তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতাম কবে তুমি আমাকে নিজ থেকে বলবে ভালোবাসি। তোমার মুখে ভালবাসি শোনার জন্য অনেকটা অপেক্ষা করেছি। সেই বলা বললে তবে দেরি করে বললে।

তোমার চিঠি পেয়ে যেমন একদিক আনন্দ পেয়েছি আবার আরেকদিকে খুব কান্না পেয়েছে। আনন্দ ছিল এই কারনে কারন অবশেষে তোমার কাছ থেকে ভালবাসি কথাটা শুনতে পেলাম, যার জন্য কাটিয়েছি হাজার দিবস রজনি। আবার কষ্ট লাগছে এমন সময় তুমি চলে যাচ্ছ দেখে।

তোমাকে ভালবাসি, ভালোবাসবো। সত্যি তোমাকে ভালবাসি বলেই এতদিন তোমার মুখে ভালবাসি শোনার জন্য অপেক্ষা করছি। আজ তুমি চলে জাচ্ছ অনেক দূরে, এতদিন যখন অপেক্ষা করতে পেরেছি তাই ভালবাসার পূর্ণতার জন্য আমি আরও অপেক্ষা করতে রাজি আছি।
যেখানেই থেকো ভালো থেকো। তোমার পথ চেয়ে থাকবো আমি।

ইতি
অনন্যা।

চিঠি শেষ করে আকাশের দিকে তাকায় ফারহান। বুকের ভেতরে গগন বিদারী চাপা চিৎকার। সন্ধ্যার নীল আকাশ আর নিয়নের লাইট এর নিচে যেন ফারহানের সময় থমকে যায়। নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হয়। ৬ বছর আগে দেশের বাইরে যাওয়ার সময় মনে কথা চিঠিতে লিখে গিয়েছিলো অনন্যাকে, কিন্তু সেই চিঠির উত্তরের আসায় অপেক্ষা করতে করতে এক সময় ভুলতে বসেছিল অনন্যাকে। আজ এই চিঠি আবার মনে করিয়ে দেয় অনন্যাকে, অনন্যার প্রতি ভালবাসাকে। নিজের কাছে প্রশ্ন করে ফারহান। অনন্যা কি এখনো অপেক্ষা করে আছে? নাকি অন্য কারো সাথে... ভাবতেই বিরক্ত লাগে ফারহানের কাছে। মনে পড়ে যায় ৬ বছর আগে লেখা অনন্যাকে লেখা চিঠির কথা।

অনন্যা,

তোমাকে হঠাৎ করে লিখতে হবে ভাবিনি। তোমার সাথে কিছু কথা বলার ছিল তাই লিখছি। সামনা সামনি বললেই হয়ত ভালো হতো কিন্তু তুমি ঢাকার বাইরে থাকার কারনে অন্য কোন উপায় না দেখে চিঠির দ্বারস্থ হতে হল। আজ রাতের ফ্লাইটে আমি চলে যাচ্ছি। হুট করেই লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অফ সারে থেকে স্কয়ারশিপ লেটার পেয়ে অল্প সময়ের মাঝেই সব ম্যানেজ করে চলে যেতে হচ্ছে। আজ যাবার বেলা তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে হচ্ছে অনন্যা।

তোমাকে যেদিন থেকে চিনি সেদিন থেকেই কোন এক অজানা টানে তোমার মাঝে নিজেকে খুজার চেষ্টা করেছি। যতটা সময় একসাথে ছিলাম সবসময় তোমার পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জানিনা তোমার মাঝে আমার অস্তিত্ব কতটা তৈরি করতে পেরেছি। তোমার ভাবনার জগতে নিজেকে দেখতে চেয়েছি অনেকটা সময় ধরে।

হঠাৎ করেই চলে যেতে হচ্ছে তাই নিজেকে প্রকাশ করতে কাগজ কলমের সাহায্য নিলাম। শুধ একটা কথা বলার জন্য- তোমাকে আমি অনেক বেশি ভালোবাসি। নিজের অজান্তে কবে তোমাকে এতটা ভালবেসে ফেলেছি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি কখনো। তাই আজ দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে তোমার প্রতি এততা টান অনুভব করছি। এই টান ভালবাসার। তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুব বলতে ইচ্ছে করছে ভালোবাসি।

জানিনা তোমার মনে আমার জন্য একই অনুভুতি কাজ করে কিনা। যদি আমার ভালবাসা সত্যি বুঝতে পার আর আমার প্রতিও তুমি একই অনুভুতি অনুভব করে থাকো তবে আমার জন্য অপেক্ষা করবে তো? আমি কিন্তু চিঠির উত্তরের অপেক্ষায় থাকবো। হা অথবা না যাই বল না কেন কষ্ট করে চিঠির উত্তর দিও, অপর পাতায় ঠিকানা দেয়া আছে। ভালো থেকো।

ইতি
ফারহান।

এই চিঠির উত্তর আজ হাতে নিয়ে বসে আছে ফারহান। তারমানে অনন্যা চিঠির উত্তর লিখেছিল ঠিকই তবে সেটা ফারহানের হাতে পৌছায়নি সময় মত।

৩.
ফারহান সব খুলে বলে আরিফ কে। আরিফ নাকি অনন্যাকে শান্তুনুর সাথে দেখেছে কিছুদিন আগে। আরিফের কাছ থেকে সান্তুনুর খোঁজ নিয়ে অনন্যার কথা জিজ্ঞেশ করে শান্তুমুর কাছে। শান্তুনু বলে ‘’আমার কাছে কেবল ওর ফোন নাম্বার টা আছে সেটা দিতে পারি, বাসার ঠিকানা বলতে পারছিনা।‘’ ফোন নাম্বার নিয়ে অনন্যাকে ফোন করে ফারহান, কিন্তু অপর পাশ থেকে ভেসে আসে কোন এক পুরুষের কণ্ঠ। অজানা শঙ্কায় বুক ভারী হয়ে ওঠে ফারহানের।

-হ্যালো
-অনন্যা আছে?
-অনন্যা তো নেই, অনন্যা অফিসে গিয়েছে। আপনার যদি কিছু বলার থাকে তবে আপনি আমাকে বলতে পারেন।
-না তেমন কিছুনা, আমি অনন্যার অনেক আগের বন্ধু ফারহান, দেশের বাইরে ছিলাম তাই দেশে ফিরে খোঁজ নিচ্ছিলাম।
-আচ্ছা, ও আসলে বলে দিবো।

ফোন রাখার সাথে সাথেই ফারহানের ভেতর টা শুকিয়ে যায়, হু হু করে কেঁদে ওঠে। সারাদিন কোন কথাই সকাল থেকে কিছু খায়নি ফারহান, মায়ের সাথেও কথা বলছেনা। শেষে মায়ের চাপে দুপুরে খাবার খেয়ে নিজের রুমে শুয়ে থাকে। বন্ধুদের সাথে দেখা করার যে প্ল্যান ছিল সেগুল বাতিল করে দেয়। ঘুমিয়ে পড়ার খানেক আগেই ফোন বেজে ওঠে ফারহানের।

ফারহান?
-জি, বলছি আপনি কে?
-গলা চিনতে পারছনা? আমি অনন্যা।
-অনন্যা!!
-হা, বাসায় ফিরে শুনাম তুমি ফোন করেছ, তাই যেই নাম্বারে ফোন করেছিলে সেই ফোন থেকে নাম্বার নাম্বার নিয়ে ফোন করলাম। দেশে ফিরেছ কবে?
-এইতো দু সপ্তাহ হবে।
-দু সপ্তাহ হয়ে গেল আর আমাকে মনে পরলো আজ?

উত্তরে কোন কথা বলেনা ফারহান। চুপচাপ বসে থাকে। ফারহান কে চুপচাপ থাকতে দেখে অনন্যা বলে ‘’আজ দেখা করতে পারবে? বিকেল ৫ টায়?’’
উত্তরে কেবল ‘’আচ্ছা’’ বলে ফোন রেখে দেয় ফারহান।

৪.

বিকেলে কার্জন হলের পাশে পার্কে বসে আছে ফারহান। অনন্যার জন্য অপেক্ষা করছে। কেবলই এসে বসেছে, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে পাচটা বাজলো মাত্র। ঘড়ি থেকে চোখ তুলেই সামনে তাকিয়ে দেখে অনন্যা। আগের থেকে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। চোখে চশমা ছিলোনা আগে, এখন চশমা পড়ে, শাড়ি পড়তে দেখেনি কখনো অনন্যাকে আজ সেই শারি পড়েই এসেছে। হয়ত বিয়ে করে সংসারী হয়েছে তাই হয়ত শাড়ি পড়ে এসেছে।

-কেমন আছো ফারহান?
-এইতো ভালো। তুমি?
-ভালই
-তোমাকে আবার দেখতে পাবো ভাবিনি।
-মানে?
-মানে তুমি তো সংসার নিয়ে আছো সুখেই...

ফারহানের মুখ থেকে কথা কেড়ে নেয় অনন্যা

-সংসার? কিশের সংসার? কার সংসার?
-কেন? তবে ফোন কে ধরল? ওটা তোমার স্বামী ছিলোনা?
-তোমার জন্য ছয় ছয়টি বছর অপেক্ষা করে বসে আছি। আর তুমি বলছ ওটা আমার স্বামী! সে আমার বড় ভাই।
-মানে তুমি বিয়ে করনি? আমি তোমার চিঠির উত্তর না পেয়ে ভেবেছি...
-চিঠি তো আমি লিখেছিলাম কিন্তু তুমিই আর কোন চিঠি দাওনি যোগাযোগ করনি, তবুও তোমার অপেক্ষায় আছি এখনো!
-হা, চিঠি আমি পেয়েছি তবে সেটা গতকাল।

এই বলে বাদামের প্যাকেট টা দেখায় অনন্যাকে। অনন্যা একটু অবাক হয়ে ফারহানের দিকে তাকায়। তাকিয়ে এক কমনীয় হাসিতে ফারহানের সব শঙ্কা নিমিশেই দূর করে দেয়! বিকেলের সোনালী রোদ দুজনকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। ভালবাসায়...

No comments:

Post a Comment