Tuesday, May 24, 2016

বৃষ্টিকথন- Valobasar Golpo

আমি প্রাণপন চেষ্টা করছি, আমার চোখে যেন পানি না আসে। বৃষ্টি নামের সার্থকতা বজায় রাখার জন্য হুটহাট চোখে বর্ষন ঘটানো আমার ভীষন অপছন্দের একটা কাজ। তাছাড়া এত তুচ্ছ ব্যপারে বসে বসে কান্না করার মত বাড়তি সময়ও আমার নেই। কিন্তু একটু আগে যে ঘটনাটা ঘটলো সেটা মনে করেই আমার গা রি রি করছে। মামী সুযোগ পেলেই আমাকে এভাবে অপমান করে। মাঝে মাঝে মনে হয় এখানে না থেকে কারো বাসায় কাজটাজ করে খাই। এমনিতেও এ বাসায় আমি বুয়া ছাড়া আর কিছুই না। কিন্তু আমার সব ইচ্ছার মত এই ইচ্ছাটাও আমি বুকে চেঁপে রাখি। এটা অবশ্য ভয়ংকর ধরনের ইচ্ছা, তবে আমার অনেক নিরীহ ইচ্ছাও আমাকে বুকে চেঁপে রাখতে হয়।


যেমন একটু আগে মামীকে কয়েকটা কঠিন কথা শোনাতে খুব ইচ্ছে করছিলো। কিন্তু ইচ্ছেটা চেঁপে যেতে হয়েছে। নীচে বসার ঘরে রবিন ভাইয়ের বন্ধুরা এসেছে। মামী আমাকে ওদের চা বানিয়ে দিতে বললো। চা বানাতে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু সমস্যা হলো সেই চা নিয়ে আমাকেই নীচে যেতে হবে। আর এই ব্যপারটায় আমার অনেক আপত্তি আছে।

ছেলেগুলোকে ঠিক মানুষের পর্যায়ে ফেলা যায়না। এদের দেখলেই আমার পেট মোটা কুৎসিত মাকড়শার কথা মনে হয়। মাকড়শা যেমন জাল বুনে শিকারের জালে আটকা পড়ার অপেক্ষায় থাকে, এরাও তেমনি অপেক্ষায় থাকে। পার্থক্য হলো এরা শুধু মানুষ শিকার করে, তাদের নোংরা কুতকুতে চোখগুলো দিয়ে।

আমি মামীকে শুধু বললাম, আমি যাবোনা। তার উত্তরে মামী যে ক’টা বাক্য বলেছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভদ্র্র বাক্যটা হল, “আমার শরীর দেখে এদের মধ্যে কেউ যদি আমাকে বিয়ে করতে রাজী হয় তাহলে শুধু আমার বাবা মাই না, আমার মামা মামীও বেঁচে যান।” এই কথার পর আর কোন কথা থাকতে পারেনা, তাই আমি বাধ্য মেয়ের মতো গিয়ে ওদের চা দিয়ে এলাম। আর সাথে করে কিছু কুৎসিত মন্তব্য নিয়ে ফেরত এলাম।

Saturday, November 21, 2015

চোখের শেষ জলকনা

গলির এক ধারে দাড়িয়ে কোনাকোনি উপরে তাকালেই নিশির ঘরের বারান্দা, এখানেই সম্পর্কের সময়কালে অঞ্জন নিশি কে দেখতো।
সম্পর্কের নি:শেষ হবার পর অঞ্জন কে মাঝে মাঝে গলির পাশে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সে পলকহীন ভাবে তাকিয়ে থাকে, একবার নিশির মুখখানা দেখার জন্য।
এই বুঝি এল
এই বুঝি এল
বেচারা অঞ্জন দেখা পায়নি একদিন ও, একটু সামনে,একবার পিছনে করে লোকজনেও দৃষ্টি এরিয়ে যায়। কিন্তু নিশি নেই। বার বার ফোনের দিকে তাকায় অঞ্জন, সে সময় হয়তো মোবাইল এ কথা অথবা চ্যাটিং নিয়ে ব্যাস্ত নিশি।
একবার ও কি মনে হয় না, কেউ তার জন্য অপেক্ষা করছে,একটিবার দেখার জন্য, মনে মনে  বলতে থাকে অঞ্জন।
রাতে লিখতে বসে অঞ্জন, নিশির দেয়া ডায়েরী তে আজ লিখবে,ইচ্ছা মত বকা দিবে,অভিমান প্রকাশ করবে। কিন্তু একটি লাইন ও লিখতে পারে না সে, ডায়েরীর পাতা গুলো এখনও স্নিগ্ধই রয়ে গেছে।
ভাবতে ভাবতে সাদা রুমালখানা ভিজে যায় চোখের জলে।
রুমালখানাও নিশির দেয়া,তার হাতের স্পর্শ আজো পেলো অঞ্জন।
এক কিশোরী বয়সের নিশির দেয়া চিঠি গুলো পরতে থাকে অঞ্জন আর মুখের কোনে বিন্দু বিন্দু হাসি। আযান এর শব্দে আবার বিমর্ষ হয়ে যায় অঞ্জন,হয়তো হারিয়ে গিয়েছিল বছর ২ এক আগে।
এভাবেই কয়েকদিন...........
অত:পর আর নিশির বাসার আশে পাশে অঞ্জন কে আর ঘুর ঘুর করে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় না।
অঞ্জন আজ নিজের কাছ থেকে পালিয়ে থাকে,নয়তো পাসপোর্ট সাইজের নিশির ছবিটা যখন তখন চোখে  জল এনে দেয়।
এসব আকড়ে ধরে থাকার মানেই হয় না মনে হতেই পরক্ষনে মায়াবী চেহারা মাখা ছবিটা অঞ্জনের কাছে থেকে যেতেই চায় না। চোখের শেষ বিন্দু এখানেই শেষ নয় অঞ্জনের .....
অঞ্জনের লেখা অভিমানের একটি চিঠি:
প্রিয় নিশি,
বিরক্ত করতে চাই না তবুও সংক্ষেপে বলছি, আংটি টা আর পরা হয় না। মানিব্যাগ টাও মনে হয় আর বেশি দিন থাকবে না,তবুও চেষ্টা করছি ভাল রাখার। রাগ লাগছে? লাগুক এর থেকে হাজার গুন কষ্ট আমি ভোগ করেছি। আর হ্যা ভাল আছ মনে হয়, আমি ভাল নেই...:(
দোয়া করো যেকোন একটা চাকুরী পেলে আমার আর হাতখরচ বাবার কাছে থেকে নিতে হবে না। আমি তোমাকে বুঝতে পারলাম না আজো............
চিঠি টা আসমাপ্ত রেখেই ঘুমিয়ে গেল অঞ্জন, এরকম অনেক লেখা তার গন্তব্যস্থল পেল না।
সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না।সব হারিয়ে যায়, স্মৃতি গুলোও একসময় তলিয়ে যাবে হয়তো, এর মাঝেই যুদ্ধ চলছে বেচে থাকার, সময় গুলো মনে রাখার।

Tuesday, June 9, 2015

ভাইরাসেও ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে!

কিছু সাধারণ ভাইরাস যেগুলো মাথা, কণ্ঠ, এমনকি গর্ভাশয়ে ক্যান্সারের জন্য দায়ী, সে ভাইরাসগুলোই আবার কিছু ক্ষেত্রে ফুসফুসে ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন বিজ্ঞানী নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। খবর জিনিউজ ও দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

যুক্তরাষ্ট্রের ফক্স চেস ক্যান্সার সেন্টারের ওই গবেষণায় ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুস থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। দেখা যায়, প্রায় ৬ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে ক্যান্সারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা (এইচপিভি) নামে এক ধরনের ভাইরাস।
যদি কিছু রোগীর ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য এইচপিভি বাস্তবিকই দায়ী হয়, তবে পরবর্তী ধাপ হবে সেসব টিউমার ভালোভাবে শনাক্ত করা, যাতে কার্যকরভাবে ওই ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।
গবেষণা নিবন্ধের লেখক ফক্স চেস ক্যান্সার সেন্টারের ফিজিশিয়ান রানী মেহরা বলেন, ‘এ গবেষণায় সর্বোপরি সফলতা হচ্ছে, আমরা নিশ্চিতভাবেই ওই টিউমারের বৈশিষ্ট্য ধরে ক্যান্সার চিকিৎসায় থেরাপি দিতে পারব।’
মেহরা বলেন, এশিয়ার দেশগুলোর রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তাদের ফুসফুসে এইচভিপি আক্রান্ত। মাথা ও গলার কাছাকাছি ফুসফুসের অবস্থান হওয়ায় মাথা ও গলায় ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ভাইরাস সহজেই ফুসফুসে হানা দিতে পারে। মূলত শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমেই ফুসফুসে এইচপিভি প্রবেশ করে। এই গবেষণায় ধূমপানকারী কারও তথ্য নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে।

Monday, June 1, 2015

ছোট্ট এক প্রেম কাহিনী

দুই প্রজাপতি একজন আরেকজনকে খুব ভালোবাসতো। তাদের মাঝে প্রায়ই তর্ক হতো যে কে কাকে বেশি ভালোবাসে। যাই হোক, একদিন তারা দুজনে একটা বাজি ধরল। বাজির শর্ত ছিল, তারা যেই বাগানে থাকে সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর একদম সকালে যে আগে বসতে পারবে সেই অন্যজনকে বেশি ভালোবাসে! মেয়ে প্রজাপতিটা রাতে আর ঘুমাল না। সে শুধু ভাবতে লাগলো। ঘুমিয়ে পড়লে যদি ছেলে প্রজাপতিটা আগে চলে যায়!
খুব সকালে মেয়ে প্রজাপতিটা তাড়াতাড়ি বাসা থেকে বের হয়ে উড়তে উড়তে সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার কাছে গেল। তখন ছিল একদম ভোরবেলা। চারিপাশে আলোও ফুটেনি। সে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো কখন সকাল হবে আর ফুলটা ফুটবে! এরপর সকাল হলো। সূর্যের প্রথম কিরণ সেই বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটার উপর পড়লো। আর মেয়ে প্রজাপতিটা গভীর বিস্ময়ে দেখলঃ
ছেলে প্রজাপতিটা সেই ফুলের মধ্যে বসে আছে। তার দেহে প্রান নেই। আসলে, মেয়েটাকে সকাল বেলা চমকে দেয়ার জন্য সে গত রাত থেকেই ফুলটার মধ্যে ঢুকে ছিল। রাতে যখন ঠাণ্ডা খুব বেড়ে যায় তখন সে ঠাণ্ডায় কাবু হয়ে মারা যায়। আর এজন্য সে মরে ফুলের মধ্যেই পরে থাকে। সে চেয়েছিল নিজের প্রিয়তমাকে চমকে দিতে! কিন্তু পারেনি।
অন্যদিকে মেয়ে প্রজাপতিটি এই দৃশ্য সহ্য করতে পারলো না। সে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।

** মূলকথা : ভালোবাসা আসলে এমনই হয়। এটি যেমন আমাদের বাঁচতে শেখায়, ঠিক তেমনি আবার মাঝে মাঝে অনেক বেশি দুর্বল করে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।।


গল্পটি আপনাদের কাছে কেমন লাগবে জানি না। আমার কাছে ভালো লাগলো তাই শেয়ার করলাম। ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Monday, April 27, 2015

আভাময় জীবন- avamoy jibon

Saturday, April 25, 2015

আজ হোক কাল হোক ভালো আমাকে বাসতেই হবে

মহুয়া গল্প লিখতে ভালবাসে। আগে গল্পের নায়কগুলোকে তৈরি করতে অনেক ভাবতে হত, এখন আর হয় না। মহুয়ার সব গল্পের নায়িকা সে নিজে, আগেও ছিল। কিন্তু নায়করা এখন আর টম ক্রুজ, লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, হিউ জ্যাকম্যানের কোন চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় না। সব বদলে গেছে, বদলে গেছে মহুয়া, মহুয়ার গল্প ও মহুয়ার মন।

দিনটি ছিল ভর্তির দিন। ঐ দিনই মহুয়া দেখেছিল অন্যরকম একজন লোককে। লম্বা, রুগ্ন-শুকনো গড়ন, বিষণ্ণ চেহারা, চোখে মোটা কালোফ্রেমের চশমা, উদ্ভ্রান্তের মত ঘুরছিলেন। লোকটিকে দেখেই রবিঠাকুরের “গল্পগুচ্ছ” বইয়ের “অতিথি” গল্পের তারাপদকে মনে পড়েছিল মহুয়ার। আবার মনে হচ্ছিল,ভীষণ বিষণ্ণ একজন মানুষ লোকটা।
মহুয়া কখনো প্রেম করে নি। প্রেম-ভালবাসা নিয়ে তাই অনেক জল্পনা-কল্পনা রয়েই গেছে। বাংলা সিনেমার মত ‘ভালবাসা পবিত্র, ভালবাসা স্বর্গ থেকে আসে’ টাইপ রিকশাওয়ালা ও চৌধুরীসাহেবের মেয়ের প্রেমের মত কল্পনা হয়ত নেই। কিন্তু গল্প-উপন্যাসের মত ‘হয়ত কিছু একটা হবে’-এটাই মহুয়ার প্রত্যাশা। তাই হয়ত অদ্ভুত ভবঘুরে স্বভাবের লোকটাকে ভালো লেগেছে। দু’বছরের বড় সেই সিনিওরকে শুধু দূর থেকেই দেখে যায় মহুয়া। লোকটা গম্ভীর ও ঠান্ডা স্বভাবের, পুরোই মহুয়ার বিপরীত। কখনো কখনো ক্যাম্পাস থেকে পুরোপুরি হাওয়া হয়ে যান। তখন মহুয়ার মন কেমন কেমন যেন করে। মহুয়া বোঝে না কেন লোকটাকে ভালো লাগে। এমন নয় যে লোকটা দেখতে হ্যান্ডসাম। দেখতে বরং গাঁজাখোরদের মত। তাও ভালো লাগে। মানবমন বোধহয় এজন্যই বিচিত্র। মহুয়ার বন্ধু আবীর প্রায়ই বলে, “মেয়েরা নাকি ভালো নরমাল ছেলেদের প্রেমে পড়ে না। জত্তসব অ্যাবনরমাল ছেলেদের প্রেমে পড়ে।” মহুয়া ভাবে, লোকটা মোটেও অ্যাবনরমাল না, বরং চূড়ান্ত পর্যায়ের intellectual। মহুয়া তাই আবীরকে বলে, “মেয়েরা বলদ পোলাদের প্রেমে পড়ে না, বলদ।”
“কিন্তু বলদদেরই বিয়ে করে”
“সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?” বলে ভেঙচি কাটে মহুয়া।
মহুয়া সবসময়ই লোকটাকে খেয়াল করে আড়চোখে। কিন্তু লোকটা একটা বারের জন্যও মহুয়ার দিকে কখনো তাকায়নি। মহুয়ার মনের কথা মনেই রয়ে যায়। মহুয়া নজর কাড়ার মত কেউ নয়। কিন্তু তাই বলে লোকটার চোখে না পড়ার কথা নয়। মহুয়া নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করে যা চোখে পড়ার মত। মহুয়ার লেখা গল্পের উপর নাটক হয় , সেসব নাটকে অভিনয় করার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় ক্যাম্পাসে।

মনের মানুষকে ভালোবাসার কথা জানানোর কিছু উপায়-valobasar kotha

ভালোবাসার মাঝে যে আনন্দ, অনুভূতি আছে তা পৃথিবীর অন্য কিছুতে নেই। নিশ্চয়ই আপনার পছন্দের মানুষটিকে খুব ভাল ভালোবাসেন? কিন্তু তাকে ভালোবাসি কথাটি জানাতে মাঝে মাঝে খুব কষ্টকর হয়ে যায়। কীভাবে তাকে সুন্দর ভাবে ভলোবাসি কথাটি বলা যায়? কেমন করে বললে মানুষটি খুশি হবে? তাই চলুন আজ জেনে নিই কিছু মিষ্টি উপায় যার মাধ্যমে আপনার প্রিয় মানুষটিকে ‘ভালোবাসি’ কথাটি বলতে পারবেন খুব সহজেই কিন্তু রোমান্টিক ভাবে।

ক্যাসেটে ভালোবাসার কথা
ক্যাসেট প্লেয়ার ও ক্যাসেট নিশ্চয়ই আপনার বাসায় আছে। যদিও আজকাল খুব কম মানুষের বাড়িতে এগুলো থাকে। কারণ যুগ পাল্টেছে। কিন্তু যদি থাকে একটি ক্যাসেট নিয়ে তাতে প্রিয় মানুষটির জন্য কিছু কথা রেকর্ড করুন ও তাকে শুনতে বলুন। বা মোবাইলেও ভয়েস রেকর্ড করে দিতে পারেন।

একটু অন্যরকম রোমান্টিক কবিতা
আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে আপনি ভালোবাসেন এই কথাটি জানাতে যে তাকে ‘ আমি তোমাকে 

ভালোবাসি বা I LOVE YOU’ কথাটিই যে বলতে হবে এমন কোন কথা নেই। একটু ভিন্ন ভাবে সঙ্গীকে ভালোবাসি কথাটি বললে সেও খুশী হবে। তাই খুব সুন্দর একটি কবিতা জাতে ভালোবাসি কথাটির সমস্ত ভাষা বলে দেয়া আছে আর খুব রোমান্টিক তেমন একটি প্রিয় মানুষটিকে পড়ে শোনান।

চিরকুটে লিখে দিন কিছু কথা
চিরকুট ব্যাপারটি কিন্তু খুব অসাধারণ। ভালোবাসি কথাটি খুব সুন্দর ভাবে জানানোর জন্য এর থেকে দারুণ উপায় আর হয়না। যেমন বিছানার পাশে কিংবা এমন কোন জায়গায় যেখানে আপনার সঙ্গী খুব সহজেই হাত বাড়ালে পেয়ে যাবে চিরকুটটি।

একটু অন্য ভাষায় ভালোবাসি বলুন
আমরা সাধারণত বাংলায় ও ইংলিশে ভালোবাসি কথাটি বেশি বলে থাকি। কিন্তু আপনি অন্য কোন ভাষায় আপনার সঙ্গীকে ভালোবাসি কথাটি বলতে পারেন। হয়তো সে বুঝবেনা কিন্তু আজকাল তো ইন্টারনেটে সবকিছুই পাওয়া একটু কষ্ট করলে সঙ্গী বুঝে নিতে পারবে আপনার অন্যরকম এই ভাষার মানেটি।

মনের কথাগুলো বলে ফেলুন চিঠিতে
অনেক আগে যখন প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হতো নারী পুরুষের মধ্যে তখন একে অপরকে চিঠিতেই ভালোবাসি কথাটি বলে থাকতেন। কারণ তখন ছিল না মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট। কিন্তু আজকাল খুব মানুষই চিঠি লিখে থাকেন। তাই আপনি আপনার প্রিয় মানুষটিকে একটি ভালোবাসায় ভরপুর চিঠি দিতে পারেন।

তার পছন্দের কোন উপহার দিন
প্রিয় মানুষটি খুশি থাকুক তা কে না চায়। সঙ্গীকে খুশী রাখতে দিতে পারেন তার খুব পছন্দের কোন উপহার এবং তার মাঝে দিয়ে দিন পছন্দের কোন চকলেট। ছোট্ট একটি কার্ডে লিখে দিতে পারেন ভালোবাসি কথাটি।


রোমান্টিক কোন গান
এমন কোন একটি গান যা প্রিয় মানুষটি শুনলেই বুঝতে পারেবন যে আপনই তাকে কতটা ভালোবাসেন। তাই এমন কিছু গান বেছে নিন। আর তা সঙ্গীকে শুনতে বলুন।

রোম্যান্টিক ডিনার
কোন একটি ছুটির দিনে সঙ্গীকে নিয়ে খুব সুন্দর একটি রেস্তোরাঁয় যেতে পারেন। সেখানে তাকে চমকে দেয়ার জন্য আয়োজন করতে পারেন একটু অন্যভাবে। তার পছন্দের খাবার অর্ডার দিন। চাইলে সঙ্গী যেন চমকে যায় এমন কোন উপহারও দিতে পারেন।